বিডিলাইভ ডেস্ক :
উচ্চশিক্ষার জন্য বেশিরভাগ মানুষেরই প্রথম পছন্দ ইউরোপ। কিন্তু ইউরোপের ঠিক কোন দেশে পড়াশুনার মান কেমন, কিংবা জীবনযাত্রা, পরিবেশ কেমন তা অনেকের অজানা।
এ ক্ষেত্রে পড়াশুনার জন্য ভালো একটি দেশ হতে পারে উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশগুলোর মধ্যে বৃহত্তম রাষ্ট্র সুইডেন।
অপূর্ব প্রাকৃতিক পরিবেশ আর শান্ত জীবন-যাপনের জন্য বিখ্যাত সুইডিসরা। তাই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উচ্চ শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে দেশটি।
এখানে যেমন রয়েছে বিশ্বস্বীকৃত বিভিন্ন গবেষণাকর্মের জন্য আধুনিক ব্যবস্থা, তেমনি রয়েছে প্রচুর স্কলারশিপ, গ্রুপ ওয়ার্ক এবং স্বাধীন চিন্তার সুযোগ। তাই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও যারা ইউরোপে উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহী তারা সুইডেনে যাওয়ার কথা ভাবতেই পারেন।
তবে দেশটি সম্পর্কে ও পড়াশুনার ধরণ নিয়ে আগে থেকে ধারণা নিয়ে রাখাই ভালো। সুইডেনের অফিসিয়াল ভাষা সুইডিশ হলেও প্রায় ৮৯% মানুষ ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে পারে। তাই সেখানে ইংরেজিকে সেকেন্ড ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
এখানে সুইডিশ ও ইংরেজি উভয় মাধ্যমেই পড়াশুনা করা যায়। তবে অনার্স পর্যায়ে সুইডিশ ভাষা জানলে ভালো। কিন্তু মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সুবিধা হলো প্রায় ৬০০ এর বেশি বিষয় ইংরেজি ভাষায় পড়া যায়।
সুইডেনে অনার্স ৩/৪ বছর, মাস্টার্স বিষয়ভেদে ১/২ আবার কোনোটাতে তিন বছরও লেগে যায়। এছাড়া রয়েছে বিভিন্ন মেয়াদী নন-ডিগ্রি প্রোগ্রাম, ডিপ্লোমা, পিএইচডি, পোস্ট-ডক্টোরাল ও কিছু প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম।
National Agency for Higher Vocational Education- এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে প্রশিক্ষণমূলক প্রোগ্রাম করানো হয়। বর্তমানে শ্রম-বাজারে এসব প্রশিক্ষণের ব্যাপক চাহিদা লক্ষ করা যায়।
তবে সুইডেনে যাওয়ার জন্য বিশেষ কিছু যোগ্যতা থাকা অবশ্যই আবশ্যক। যেমন ভর্তির শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয়ভেদে বিভিন্নভাবে শিক্ষার্থীর যোগ্যতা যাচাই করা হয়। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একাডেমিক ফলাফল দেখে আবার কখনো বা ভাষাগত যোগ্যতা দেখে। সুতরাং ভাষা ও বিগত পরীক্ষাগুলোর ফলাফল উভয়ই ভালো হওয়া দরকার।
সুইডিশ ভাষার জন্য আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট (কলাভবন, ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়) থেকে কোর্স করতে পারেন। অপরদিকে, ইংরেজি ভাষার জন্য দক্ষতাস্বরূপ TOEFL বা IELTS এর প্রাপ্ত নাম্বার দেখা হয়।
TOEFL পরীক্ষার মোট ১২০ নাম্বারে নূন্যতম ৮৫ নাম্বার এবং IELTS পরীক্ষার ৯.০ পয়েন্টের মধ্যে নূন্যতম ৬.৫ পেতে হবে। এ ক্ষেত্রে অনলাইনে বসেও IELTS ও TOEFL পরীক্ষায় নিজের যোগ্যতা যাচাই করতে পারেন।
সুইডেনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বছরে দুটি সেমিস্টার। একটির মেয়াদ আগস্টের শেষ থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত। অপরটি মধ্য জানুয়ারি থেকে জুনের শুরু পর্যন্ত। বিদেশে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র ও ভিসা নিয়ে প্রায় ৬ মাস এমনকি এক বছরও সময় লেগে যায়।
তাই যে সেমিস্টারে ভর্তি হতে আগ্রহী সেই সময়ের দিকে খেয়াল রেখে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। আবার সুইডেনে প্রচুর স্কলারশিপের ব্যবস্থা থাকায় সেগুলোর জন্যও আবেদন করে দেখতে পারেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য The Swedish Institute Study Scholarship। এই স্কলারশিপ মূলত অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে দেয়া হয়। এটি প্রায় ৭৫%-১০০% খরচ বহন করে।
ভিসা প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, অনলাইনে বা ডাকযোগে জরুরি কাগজপত্র জমা দেয়ার পর স্কলারশিপ পাওয়া স্বত্ত্বেও একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেশের ব্যাংকে জমা আছে কিনা সেই ব্যাপারে একটা নিশ্চিতপত্র দেখাতে হয়
দ্রষ্টব্য এটি শুধুমাত্র প্রকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য যারা সত্যিই বিদেশ থেকে বিদেশে পড়াশোনা করতে আগ্রহী। আবেদনকারীরা দৃঢ়ভাবে আমাদের অফিসে :
সরাসরি যোগাযোগ বা মৌলিক তথ্যের জন্য ফোন 01911878274 এ সরাসরি যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়। যদি আপনি আরও যেতে চান তবে পাসপোর্ট সহ আপনার সমস্ত অ্যাকাডেমিক নথির সাথে আমাদের অফিসে যান।
সানরাইজ এডুকেশন কন্সালটেন্টস
ফোন: 01911878২74; 01707272625
ইমেইল: info@sunrise-bd.net
ওয়েবসাইট: www.sunrise-bd.net

No comments:
Post a Comment